[gtranslate]

বাকৃবিতে নিরাপদ দুধ বিষয়ক সেমিনার

প্রকাশিতঃ ৫:০১ অপরাহ্ণ | জুলাই ২২, ২০১৯

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ) জুলাই – ২২ ঃ
দুধে অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া গেলেই সেই দুধ খাওয়া যাবে না, সেটা ঠিক নয়। এর একটি নির্দিষ্ট মাত্রা রয়েছে। অনুমোদিত আন্তর্জাতিক মানদন্ড ও সহনীয় মাত্রার বেশি পাওয়া গেলেই তা খাবার অনুপযোগী বলে গণ্য হবে। দুধে ক্ষতিকর অণুজীব, অ্যান্টিবায়োটিক বা ভারী ধাতুর দূষণের জন্য মূলত পরিবেশদূষণ, কোল্ড চেইন বজায় না রাখা, অনিয়মতান্ত্রিক চিকিৎসা, অনিয়ন্ত্রিত অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার, কৃষিক্ষেত্রে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক ও রাসায়নিকের ব্যবহার দায়ী। এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিরাপদ দুধ বিষয়ক দিনব্যাপী সেমিনারে উপস্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেয়রি বিজ্ঞান বিভাগ সোমবার ২২ জুলাই ২০১৯ বাকৃবির সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন ভবনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ডেয়রি বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.লুৎফুল হাসান এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ জসিম উদ্দিন খান ও বাউরেস এর পরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক । অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পশুপালন অনুষদেও ডীন প্রফেসর ড. মোঃ নুরুল ইসলাম।
সেমিনারে বক্তারা আরও বলেন সুস্বাস্থ্যের জন্য একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ২৫০ মিলিলিটার দুধ পান করা প্রয়োজন। এ দুগ্ধশিল্পের বিকাশের জন্য দেশে আদর্শ মানদন্ড তৈরি এবং দুধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্যের পরীক্ষার জন্য রেফারেন্স ল্যাবরেটরি গড়ে তুলতে হবে। প্রক্রিয়াজাত প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব গবেষণা ও উন্নয়ন শাখা থাকতে হবে।
সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী খামারীগণ অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য বাংলাদেশে অতি সম্প্রতি দুধ ও দুগ্ধ পণ্যের গুণগত মান সম্পর্কে দেশব্যাপী উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসানের নির্দেশক্রমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকদের নিয়ে জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের আওতায় একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। গঠিত টাস্কফোর্স এর কার্য-পরিধি হলো দুধ ও দুগ্ধ পণ্য উৎপাদনকারী দেশের বিভিন্ন খামার/প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন স্থান ও পর্যায় হতে দুধ ও দুগ্ধ পণ্যের নমুনা সংগ্রহ করতঃ নমুনার গুণগত মান নির্ণয় করা, অতি দ্রুত গবেষণালব্ধ ফলাফল সম্বলিত একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা এবং এ প্রাসঙ্গে সুপারিশ প্রদান করবে।