[gtranslate]

বাকৃবিতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়  শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির জন্য প্রনীত অভিন্ন নীতিমালা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।

প্রকাশিতঃ ২:২৬ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ০১, ২০১৯

কৃষিবিদ দীনমোহাম্মদ দীনু।


বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি  আয়োজিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির জন্য প্রনীত অসঙ্গতি পৃর্ণ ও অগ্রহণযোগ্য তথাকথিত অভিন্ন নীতিমালা বাতিলের দাবিতে এক মানববন্ধন রবিবার দুুুুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রফেসর ড. আবু হাদী নুর আলী খানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এর সঞ্চালনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড.একেএম জাকির হোসেন,প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মহির উদ্দীন, প্রফেসর ডখান মো সাইফুল ইসলাম,প্রফেসর ড. রফিকুল আলম,ড.জাহাঙ্গীর আলম,প্রমুখ।


অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান  বলেন, সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সভায় ইউজিসি কর্তৃক শিক্ষকদের নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত এক অভিন্ন নীতিমালা পাশ করানো হয়েছে। প্রস্তাবিত নীতিমালা অভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়কে চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হয়েছে যা নীতিমালার পরিপন্থী।
বক্তারা আরও বলেন, প্রস্তাবিত অভিন্ন নীতিমালায় কৃষি ও কৃষি প্রধান বিশ্ববিদ্যালগুলোর সঙ্গে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপক অসামঞ্জস্যতা পরিলক্ষিত হয়েছে। কৃষি ও কৃষি প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের নিয়োগ ও পদোন্নতির জন্য প্রণীত নীতিমালা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রণীত নীতিমালা হতে কঠোরতর। আমাদের সঙ্গে কোনো প্রকার আলোচনা না করেই এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে যা আমাদের হতবাক করেছে।
 অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, দেশ যখন বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়কে এমন সময় এ নীতিমালা দেশের উচ্চ শিক্ষাঙ্গনে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে, যা রাষ্ট্রবিরোধী ও সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ বলে আমরা মনে করছি।
তিনি আরও বলেন, নীতিমালাটি বাস্তবায়ন হলে দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা, কৃষি, প্রকৌশল, শিল্প ও কারিগরি ব্যবস্থা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাবে। মেধাবীরা দেশ ছেড়ে উন্নত দেশে পাড়ি জমাবে। নীতিমালাটি দেশকে মেধাশূন্য করার একটি নীলনকশা।
 নীতিমালার অসামঞ্জস্যতা তুলে ধরে আরও বলা হয়, ইউজিসি যেখানে শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষা, গবেষণা ও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর চিন্তা করবেন সেখানে উচ্চশিক্ষাকে গলাটিপে হত্যার ব্যবস্থা করছেন। প্রস্তাবিত নীতিমালায় পিএইচডি ইনক্রিমেন্ট, সেশন বেনিফিটসহ বিদ্যমান সুযোগ সুবিধাগুলো কেড়ে নিচ্ছে।
মানববন্ধনে দুই শতাধিক শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন এবং ছাত্র ছাত্রীদের একাংশ সংহতি প্রকাশ করে যোগ  দেন।